স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ ভূমিকম্পে ভারতে নিহতদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৬০ জন।

বিহার, উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় এ শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর অদূরে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ৬০ জনের নিহতদের সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৭ দশমিক ৯। মূল কম্পনের আগে ও পরে অনুভূত হয় আরো বেশ কয়েকটি কম্পন।

এরমধ্যে ৪৫ জনই বিহারের। সেই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশে ১২ জন ও পশ্চিমবঙ্গে ৩ জনসহ বিভিন্নস্থানে আরো কয়েকজনের নিহতদের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ভূমিকম্পে মালদায় ৪০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পাশাপাশি সারা ভারত ব্যাপী আহত অন্তত কয়েকশ’ মানুষ, বলছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস’র তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী কাঠমান্ডুর অদূরে পোখরার কাছে লামজুং।

স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, এর ২৬ মিনিট পর দ্বিতীয় এবং ৮ মিনিট পর তৃতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। বিভিন্ন মাত্রার মোট ১৫-১৭টি কম্পন অনুভূত হয় বলে ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ভূমিকম্পে দিল্লি, বিহার, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা, পাঞ্জাব, রাজস্থানসহ বিভিন্ন জায়গা কেঁপে কেঁপে ওঠে।

বিহার থেকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা জানান, রাজ্যের মতিহারি, সীতামারি, দ্বারভাঙা ও ছাপড়া থেকে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির খবর আসছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মতিহারি ও সীতামারি এলাকা। এসব স্থানে দেয়াল চাপা পড়ে এবং ভূমিকম্প সৃষ্ট বিপর্যয়ে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছেই।

এ রাজ্যে ৪০ স্কুলশিক্ষার্থীসহ অন্তত শতাধিক আহত হয়েছেন বলেও জানায় স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *