Breaking
Thu. Jul 16th, 2026

রমজানের ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন

রমজান মাস জুড়ে ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে সরগরম হতে যাচ্ছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। এর মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি জোরদার করে ঈদের পর আন্দোলনে চমক দেখাতে চায় বিএনপি।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক নয়, শুধুমাত্র ধর্মীয় উদ্দেশ্যেই ইফতার পার্টি করে নেতাকর্মীদের মাঝে মেলবন্ধন তৈরি করতে চায় আওয়ামী লীগ। বিএনপি’র ঘুরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোটেই আমলে নিচ্ছে না তারা।

রমজানকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর দেশজুড়ে ইফতার পার্টির আয়োজন রূপ নেয় অন্যরকম এক ধর্মীয় উৎসবে। এবারও এই অনুষঙ্গে সামিল হতে প্রস্তুত রাজনৈতিক দলগুলোও।

রমজানের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত কেন্দ্রীয়ভাবে বেশ কয়েকটি ইফতার পার্টির আয়োজন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও থেমে নেই। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল মাসব্যাপী সর্বত্রই ইফতার পার্টির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে দলটি। সঙ্গত কারণেই রমজানে রাজনীতি পেতে যাচ্ছে ভিন্নমাত্রা।

এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ জানান, এবারও সামাজিক রাজনৈতিকভাবে ইফতার মাহফিলের অনুষ্ঠান থাকবে’।

আর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ বলেন, ‘কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠান করা হবে, যেগুলোতে কূটনৈতিকদের ও বিশিষ্ট নাগরিকদের দাওয়াত দেয়া হবে’।

ইফতার পার্টির মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করে বিএনপি সাংগঠনিক ভিত্তি শক্ত করতে চাইলেও এনিয়ে রাজনীতি করতে চায় না আওয়ামী লীগ।

এই বিষয়ে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘এই সিয়াম সাধনার মাসে আমরা পবিত্রতা রক্ষা করতে চাই। এ নিয়ে রাজনীতি করার মতো কোনো মানুষিকতা আমরা পোষণ করি না’।

অপরদিকে হান্নান শাহ বলেন, ‘আমি এবারের ইফতারগুলোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে দেখছি না। বরং আমি মনে করি আমাদের যে সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে’।

রমজানে দল গুছিয়ে ঈদের পর আন্দোলনের মাঠে নতুনভাবে নামতে প্রত্যয়ী বিএনপি। হান্নান শাহ বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জন করতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে বদলাতে হবে। সেই লক্ষ্যেই ঈদের পরে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে বলে আমি মনে করি’। তবে এনিয়ে যেনো কোনো মাথাব্যথা নেই ক্ষমতাসীনদের।

আর মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘বেগম জিয়া প্রতিবারই জনসভায় প্রকাশ্যেই বলেছিলেন আগামী ঈদের পর থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। উনার এই তীব্র আন্দোলন জনগণ চোখে দেখেনি, আর উনার কর্মীরাও তীব্র আন্দোলনের মানেও বোঝেনি’।

নতুন অধ্যায়ের কথা বললেও ঈদের পর আন্দোলনের কৌশল কী হবে তা এখনই জানাতে চাননি বিএনপি’র এই শীর্ষ নেতা।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *