43042_rohingaমিয়ানমারে সংঘাতের পর বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে আগ্রহী। এরই মধ্যে নিজ উদ্যোগে অন্তত ৮ থেকে ৯’শ জন ফিরে গেলেও তাদের অনেকেই মিয়ানমারে থাকা স্বজনদের নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসছে বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি বলছে, রোহিঙ্গারা নিজ উদ্যোগে মিয়ানমার ফিরছেন।
মিয়ানমার সেনাদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা গত চারমাস ধরে অবস্থান করছেন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের অনিবন্ধিত বিভিন্ন ক্যাম্পে। শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরও স্বদেশের প্রতি যেন একটুও কমেনি মায়া। তাইতো, শত কষ্টের মধ্যেও নিজ দেশ, নিজ ভিটেমাটিতে ফেরার আকুতি থামছে না তাদের।
গত অক্টোবরে সীমান্ত চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার পর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে শুরু করা অভিযান ১৫ ফেব্রুয়ারি বন্ধ ঘোষণা করেছে মিয়ানমার সরকার। এরপর থেকে রোহিঙ্গারা ফিরতে শুরু করেছেন নিজ দেশে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, রোহিঙ্গারা স্বদেশে গিয়ে স্বজনদের নিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে আসছে। আর এটি প্রতিরোধ করা না গেলে এ দেশটা রোহিঙ্গাদের স্থায়ী বসবাসের স্থান হয়ে যাবে বলে মনে করছেন রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহামুদুল হক চৌধুরী।
তবে টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু জার আল জাহিদ বলছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা নিজ উদ্যোগেই মিয়ানমার ফিরছে।
জাতিসংঘের হিসাবে, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে অন্তত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গা। যদিও এই হিসাব ঠিক কি না তা নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *