সাত খুন মামলায় বিচারিক আদালতে দেয়া ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ডে রায় অনুমোদনের জন্য ৭ করর্মদিবসের মধ্যেই যাবে হাইকোর্টে। তবে দণ্ডিত সবার আলাদা ডেথ রেফারেন্সের শুনানি কবে শেষ হবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন রায় কার্যকরের প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ হলেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলা শুনানির এখতিয়ার রয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের। নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বিচারিক আদালত। এখন নিয়মানুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য রায়ের কপি পাঠানো হবে হাইকোর্টে। সেখানে মামলার পেপার বুক তৈরিসহ নানান কাজে মামলাটি শুনানির শুরু হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বোলছেন, হাইকোর্টে নথি আসার পর অগ্রাধিকারভিত্তিতে মামলা শুনতে পারে আদালত। এ মুহূর্তে উচ্চ আদালতে প্রায় সাড়ে ৫০০ মামলায় ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য রয়েছে। আইনজ্ঞরা বোলছেন, এ ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হলে উপযোগী বেঞ্চ গঠন করতে হবে। বিচারিক আদালতের রায়ের মাত্র ১০ মাসের মাথায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে ব্লগার রাজিব হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষ হয়েছে তা এখন রায়ের জন্য অপেক্ষমান। আর খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলায় রায়ের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে। চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানিও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অগ্রাধিকার পাবে বলে আশা করছেন আইনবিদেরা। Post navigation দ. এশিয়ার অগ্রযাত্রায় দারিদ্র্যই বড় প্রতিবন্ধকতা: প্রধানমন্ত্রী সরকারি চাকরিতে থেকেও কিন্ডার গার্ডেনের অধ্যক্ষের দায়িত্বে