5365ঈদের চতুর্থ দিন বৃহঃবার সকাল থেকে সন্ধ্যা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেনাপোল নোম্যান্স ল্যান্ডে প্রায় পাঁচ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী আটকা পড়েছিলেন। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মেইন সড়কেই কাটাতে হয় হাজারও যাত্রীকে। দুর্ভোগে পড়েন ছোট ছেলেমেয়ে, বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা। প্রখর রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ থেকে পরিত্রাণ চান তারা। হয়রানি ও কালক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

জানা গেছে, যাত্রীজটের এক পর্যায়ে যাত্রীদের মধ্যে আগে ভারতে যাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু পুলিশ ও আনসার সদস্য একাধিক বই হাতে নিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে আগেই পার করে দিচ্ছেন অনেক যাত্রীকে। এর প্রতিবাদ জানান তারা। বুধবার সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন তারা। আটকা পড়া যাত্রী আশরাফ আলী ফরিদা খাতুন ও ইদ্রিস আলী বলেন, তারা দুই দেশের সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে ভ্রমণ করছেন ভারতে। প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে দিচ্ছেন ৪০ টাকা। পাচ্ছেন না কোনো সেবা। মহাসড়কই যেন তাদের ঠিকানা। হয়রানি, লাঞ্ছনা ও দুর্ভোগ যেন বেনাপোলে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে যাত্রীসেবা। দুই দেশের হাইকমিশনসহ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। সহজে ভারতীয় ভিসাপ্রাপ্তির ফলে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাড়ছে যাত্রী গমনাগমন। বাড়েনি  পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে পুলিশ ডেক্স। ফলে যাত্রীসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *