কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়কে পাবলিক টয়লেট করার ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির মহানগর শাখার আহবায়ক মো. আবু রায়হান। এ ছাড়া ওই ভবনের সামনের খালি স্থানটিকে অটোরিকশা স্ট্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রাত থেকেই সেখানে কার্যক্রম শুরু করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতাকর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে স্থাপন করা নৌকার প্রতিকৃতি ভেঙে ফেলেন। পরে পাশের ভবনে থাকা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে যায় তারা। সেখান থেকে নেমে ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। তারা এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির নেতারা। মহানগর শাখার আহবায়ক মো. আবু রায়হান বলেন, ‘অফিসের সামনের খালি স্থানটিকে অটোরিকশা স্ট্যান্ড ও মহানগর আওয়ামী লীগ অফিসকে পাবলিক টয়লেট হিসেবে আমরা তৈরি করে দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লার মানুষ আওয়ামী লীগের কোনো কিছু দেখতে চায় না। এ রাজনৈতিক দলের অফিস আর কুমিল্লায় থাকবে না। জনগণের জন্য এ অফিস পাবলিক টয়লেট হিসেবে আমরা আগামী সপ্তাহে তৈরি করে দেব।’ জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে নতুন মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে এ ভবনের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নগরীর রামঘাট এলাকায় নান্দনিক কারুকাজ ও আধুনিক সব সুযোগসুবিধা সম্বলিত বহুতল এ ভবন তৈরির উদ্যোগ নেন তৎকালীন সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। বর্তমানে বাহার ও তার মেয়ে সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র ডা. তাহসিন বাহার সূচনা ভারতে অবস্থান করছেন। এ ছাড়া দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে থাকায় এ বিষয়ে দলের দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য জানা যায়নি। এর আগে বুধবার রাত থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা নগরীর থাকা আওয়ামী লীগের দলীয় অফিস ও বাহারের বাড়িতে হামলা চালায়। বৃহস্পতিবার বিকালে সংগঠনটির ব্যানারে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা কুমিল্লার আদালত প্রাঙ্গন ও নগর উদ্যানে গেইটে স্থাপিত শেখ মুজিবুর রহমানের দুটি ম্যুরাল ভেঙে দেয়। পরে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম ভূঁঞার কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। Post navigation সাবিনারা ব্রেনওয়াশ করছে, সুমাইয়ার বাবাকে কিরণের অভিযোগ ফাইনালে টস জিতে বোলিংয়ে তামিমের বরিশালবিপিএলের মেগা ফাইনালে টসভাগ্য পক্ষে এসেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালের। চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ফাইনালে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। Advertisement এবারের ফাইনাল জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে মুখিয়ে বরিশাল। অন্যদিকে ২০১৩ সালের পর এবারই প্রথম ফাইনালের দেখা পাওয়া চিটাগং কিংস শিরোপা নিতে চায় চট্টলায়। চলতি আসরে হেড-টু-হেডে চিটাগংয়ের চেয়ে এগিয়ে বরিশাল। লিগ পর্ব এবং প্লে-অফ মিলিয়ে তিন ম্যাচের মধ্যে দুটিতে শেষ হাসি ছিল তাদের। প্লে-অফ পর্বে প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে তো মোহাম্মদ মিঠুনের দলকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছিল তামিমের বরিশাল। সবমিলিয়ে ফাইনালে মনস্তাত্ত্বিকভাবে কিছুটা এগিয়ে থেকেই মাঠে নামছেন তামিম-মাহমুদউল্লাহরা। অন্যদিকে প্রায় এক দশক পর ফাইনালের দেখা পাওয়া চিটাগং চমক উপহার দিতে তৈরি। ফরচুন বরিশাল একাদশ তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), তৌহিদ হৃদয়, ডেভিড মালান, কাইল মায়ার্স, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ নবি, রিশাদ হোসেন, ইবাদত হোসেন, তানভীর ইসলাম ও মোহাম্মদ আলি। চিটাগং কিংস একাদশ মোহাম্মদ মিঠুন (অধিনায়ক), খাজা নাফে, পারভেজ হোসেন ইমন, গ্রাহাম ক্লার্ক, হুসেইন তালাত, শামীম হোসেন, খালেদ আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাঈম ইসলাম, আরাফাত সানি ও বিনুরা ফার্নান্দো।