টঙ্গীতে ভাই-বোনের লড়াই থামাতে গিয়ে মেয়ের পায়ের আঘাতে মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক (৬৯) ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মেয়ে ফারজানা ইয়াসমিন মুন্নিকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটে গতকাল সকালে মিরাশপাড়া এলাকায়। পুলিশ ও মুন্নির পরিবারের সদস্যরা জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় ওই এলাকার ফজলুল হকের বাস ভবনে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার মাদকাসক্ত মেয়ে ফারজানা ইয়াসমিন মুন্নি ও ছেলে রাহাত হোসেন বাবুর (৩৫) মধ্যে কলহ বাধে। এক পর্যায়ে বিষয়টি মারামারি ও ধস্তাধস্তির পর্যায়ে পৌঁছে। সন্তানদের মারামারি থামাতে পিতা ফজলুল হক এগিয়ে যান। এ সময় মেয়ের পায়ের আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পরপর মুন্নির ভাই বাবু আশপাশের লোকজনের সহায়তায় মুন্নিকে রশি দিয়ে বেঁধে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে টঙ্গী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবুল খায়ের ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মেয়ে ও নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এসআই আবুল খায়ের বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক অবস্থায় মুন্নিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাই-বোনের মারামারির সময় যে কারও পায়ের আঘাতে তাদের পিতার মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্ত শেষে সঠিক বিষয়টি বেরিয়ে আসবে। তবে এলাকাবাসী বলছে নিহতের স্ত্রী রেহানাও মেয়ে মুন্নি নিহত ফজলুল হককে প্রায় মারধর করতো। Post navigation শ্রীপুরে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা ছোট শিশুটির সাথে পুলিশের কেন এই আচরন?