Breaking
Sun. Jul 19th, 2026

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাকরান্দা গ্রামে মহিষের মাংস খেয়ে শিশুসহ অন্তত ২০ জন অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

Rajshahi_sm_864482076এ ঘটনার পর রোগ নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ায় গ্রামবাসী এখন আতঙ্কিত। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা আতঙ্কের কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন গ্রামবাসীকে।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে সচেতন করতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

ঈদুল আজহার দু’দিন আগে রাজশাহীর সিটি হাট থেকে কৃষিকাজের জন্য মহিষ কেনেন গোদাগাড়ী উপজেলার মাকরান্দা গ্রামের আব্দুর রহিম। পরদিন মহিষটি অসুস্থ হয়ে পড়লে, জবাই করে গ্রামে এর মাংস বিক্রি করেন তিনি। এক সপ্তাহ পর মহিষ’টি জবাই, কাটাকূটা ও বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টদের হঠাৎ শরীর ব্যথা, জ্বরজ্বর’অনুভূতসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দেখা দেয় ক্ষত। প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ না হওয়ায় গ্রামবাসীরা দু’দিন পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলে, চিকিৎসক তা অ্যান্থ্রাক্স বলে নিশ্চিত করেন। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামের মানুষেরা।

এ ঘটনার পর গ্রামবাসীদের চিকিৎসায় গ্রামে বসানো হয়েছে স্বাস্থ্যক্যাম্প ও প্রাণীসম্পদ অফিস থেকে গৃহপালিত পশুদের দেয়া হচ্ছে প্রতিশোধক।

পাশাপাশি গ্রামের মানুষের মধ্যে রোগ নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের দেয়া তথ্য মতে, গোদাগাড়ি’র পাকড়ী ইউনিয়নের প্রায় ৬শ’ গরু ও ৪শ’ মহিষকে অ্যান্থ্রাক্স প্রতিশোধক দেয়া হয়েছে।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *