Breaking
Thu. Jul 16th, 2026
১৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারে ইজতেমা শুরু: পুরোদমে কাজ চলছে মাঠ উপযোগী করতে

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

তাবলীগ জামাতের আয়োজনে কক্সবাজার জেলায় শুরু হতে যাচ্ছে তিনদিনের মিনি ‘ইজতেমা’। জেলাভিত্তিক এই ইজতেমা ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ উপলক্ষে কক্সবাজার শহরের জেলে পার্ক সংলগ্ন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের পাশে এই আয়োজনের পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে। আয়োজকদের

আশা, এবারের ইজতেমায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ উপস্থিত হবেন। তবে ২ লাখ মানুষের বসার আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। এবারের ইজতেমায় মুসল্লিদের বয়ান দেবেন ঢাকা কাকরাইলের তাবলীগ জামাতের হুজুররা। ইজতেমার কর্মসূচি অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর মাগরিবের নামাজের পর থেকে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা

শুরু হবে। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনদিনের ইজতেমায় কক্সবাজার জেলার আট উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাবলীগে থাকা বিভিন্ন দেশের মানুষ উপস্থিত থাকবেন। আয়োজকরা বলেন, ‘ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য হলো তাবলীগে

যাওয়ার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।’এবারের ইজতেমার পর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তাবলীগের চিল্লায় যাবেন বলেও তারা আশা করছেন। জানা গেছে, ইজতেমায় ২০০ টয়লেট, ৪০০ প্রশ্রাব করার জায়গা, ১২টি মোটর, ৩০টি টিউবওয়েল বসানো

হয়েছে। আর অনুমতিক্রমে একটি পুকুর ব্যবহার করা হবে। আয়োজকরা জানান, তিন দিনের ইজতেমায় কক্সবাজার জেলার আট উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাবলীগে থাকা বিভিন্ন দেশের মানুষ উপস্থিত থাকবেন। কক্সবাজার জেলা ইজতেমায় মানুষের খেদমত করার জন্য ৯টি জামাতে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক

জামাতে প্রায় ৫০ জন করে কাজ করবেন। ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য হলো তাবলীগে যাওয়ার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। এবারের ইজতেমার পর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ তাবলী গেযাবে বলে ধারণা করছে আয়োজকরা। তারা জানায়, ইজতেমায় ২০০ টয়লেট, ৪০০ পশ্রাব করার জায়গা, ১২ টি মটর, ৩০টি টিউবয়েল বসানো হয়েছে। আর অনুমতিক্রমে একটি পুকুর ব্যবহার করা হবে। ইজতেমায় মুসল্লিদের বয়ান দিবেন

কাকরাইলের তাবলীগ জামাতের হুজুররা। ইজতেমার কর্মসূচী অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর মাগরিবের নামাজের পর থেকে ইজতেমার আনুষ্টানিকতা শুরু হবে। প্রত্যেক নামাজের পর বয়ান দিবে এবং ইজতেমার তৃতীয় দিন মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমার শেষ হবে।সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, জেলা ও ঢাকা থেকে আগত প্রচুর পরিমান মুসল্লি ইজতেমার মাঠ তেরীর উপযোগী করতে কাজ করছে। ইতিমধ্যে টয়লেট, প্যান্ডেল ও পানী নিস্কাশনের কাজ ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মরত মুসল্লিরা। তবে তাদের দাবী এবারে পানী সমাস্যা বেশী দেখা দিবে।

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *