Select your Top Menu from wp menus
বুধবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং ।। রাত ৮:৩২
Breaking News

তিন অভিনেতার বিরুদ্ধে মামলা করলেন হাসান জাহাঙ্গীর

অভিনেতা জয়, হাসান মাসুদ ও সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছেন টিভি অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সম্প্রতি এশিয়ান টিভিতে প্রচারিত শাহরিয়ার নাজিম জয়ের উপস্থাপনায় ‘কমনসেন্স’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে আসেন হাসান মাসুদ ও সিদ্দিকুর রহমান। আর এই অনুষ্ঠানেই হাসান জাহাঙ্গীরকে নিয়ে অশালীন কথা বলা ও তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই বলে মন্তব্য করেন হাসান মাসুদ।

অনুষ্ঠানে এসব বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তাদের তিন জনের বিরুদ্ধেই মামলা করেন হাসান জাহাঙ্গীর। জয়ের উপস্থাপনায় ‘কমনসেন্স’ অনুষ্ঠানে হাসান মাসুদকে প্রশ্ন করা হয়, শোবিজে সবচেয়ে পছন্দের মানুষটি কে? উত্তরে হাসান মাসুদ বলেন, এটিএম শামসুজ্জামান। এরপর প্রশ্ন করা হয়, শোবিজে আপনার অপ্রিয় মানুষটি কে? এমন প্রশ্নের উত্তরে হাসান মাসুদ বলেন, হাসান জাহাঙ্গীর ছাড়া এই মুহূর্তে আর কাউকে দেখছি না।

হাসান মাসুদ আরও বলেন তার (হাসান জাহাঙ্গীর) কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সে যে কাজগুলো করেন তা একেবারেই হাস্যকর। জয় হাসান জাহাঙ্গীর এর বর্তমান সময়ের কাজের ব্যস্ততার প্রসঙ্গ আনলে হাসান মাসুদ জয়ের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের ভাঙ্গিয়ে আজ হাসান জাহাঙ্গীর এতদূর এসছে, আপনি সিদ্দিককে জিজ্ঞেস করে দেখুন’।

এ প্রসঙ্গে হাসান জাহাঙ্গীর বিডি২৪লাইভকে বলেন, ওই অনুষ্ঠানে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নানা আপত্তিকর কথা বলা হয়েছে। অথচ আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স, মাস্টার্স করেছি। একটি কলেজে প্রভাষকের চাকরিও করেছি। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই শোবিজে কাজ করছি। অথচ তারা আমাকে অশালীন মন্তব্য করেছেন।অথচ তারা আমাকে অশালীন মন্তব্য করেছেন। আমি আইনিভাবেই তাদের জবাব দেব।

এমন মন্তব্য করার কারণ কী হতে পারে জানতে চাইলে হাসান জাহাঙ্গীর বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত টানা আমার নাটকে কাজ দিয়েছি হাসান মাসুদ ও সিদ্দিককে। কখনও তাদের সঙ্গে আমার কোনোরকম ঝামেলা হয়নি। এখন অবস্থা বদলেছে। গল্পের প্রয়োজনেই তাদের নিয়ে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার এই দিকে আমি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি। হতে পারে এসব কারণে বা জেলাসি থেকেই তারা আমাকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন।’

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *