শিরোনাম

জেনে রাখা জরুরী, বাসর রাতে যা করবেন, যা করবেন না (ভিডিওসহ)

| ০৮ অক্টোবর ২০১৭ | ১২:৪২ অপরাহ্ণ

জেনে রাখা জরুরী, বাসর রাতে যা করবেন, যা করবেন না (ভিডিওসহ)

মানব জীবনের প্রতিটি পর্বে ইসলামের শিক্ষা রয়েছে। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত সৃষ্ট সমস্যার সমাধান দিয়েছে কোরআন-হাদিস। নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের আলোচনার সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর গোপন বিষয়েও কথা বলেছেন নবী মুহাম্মদ সা.। নিচে প্রশ্নোত্তর আকারে বাসর রাত সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো।

১. প্রশ্ন : বাসর রাতে নববধূ কিভাবে সজ্জিত হবে?
উত্তর : নববধূ মেহেদি ব্যবহার করবে, অলংকার পরবে এবং সাধ্যমত শরিয়ত সম্মত উপায়ে সেজেগুজে উত্তম পোশাক-পরিচ্ছেদে সজ্জিত হবে। [আহকামে জিন্দেগি]
প্রশ্ন : বাসর ঘরে কোনো নামাজ পড়বে কি না?
উত্তর : হ্যাঁ, বাসর ঘরে স্বামী-স্ত্রী দুই রাকাত (শুকরানা) নামাজ পড়বে। [আহকামুল ইসলাম]।
প্রশ্ন : নামাজ পড়ার পর কী করবে?
উত্তর : নামাজ শেষে স্ত্রীর কপালের দিকে সামনের চুল ধরে দোয়া পড়া সুন্নত। দোয়াটি হলোÑ ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা যুবিলাত আলাইহি, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা যুবিলাত আলাইহি’। অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে তার (স্ত্রী) কল্যাণের প্রার্থনা করছি এবং প্রার্থনা জানাই তার সেই কল্যাণময় স্বভাবের যার ওপর আপনি তাকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি তার অনিষ্ট থেকে এবং তার সেই অকল্যাণময় স্বভাবের অনিষ্ট থেকে যার ওপর আপনি তাকে সৃষ্টি কছেন। [ইমদাদুল ফাতাওয়া]।
প্রশ্ন : নামাজ ও দোয়া পড়ার পর অন্য কোনো আমল আছে কি?
উত্তর : বিভিন্ন ইসলামি গ্রন্থে বাসর ঘরে উপরোক্ত আমলগুলো করতে বলা হয়েছে। এরপর স্বামী-স্ত্রী নিজেদের মতো পরস্পর পরিচিত হবে। তবে প্রথমে স্বামী মহর বিষয়ক আলোচনা করে নিবে। তখন পূর্ণ মহর আদায় না করতে পারলে স্ত্রী থেকে সময় চেয়ে নিবে। [আহকামুল ইসলাম]।
প্রশ্ন : অনেকে বলে, বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে সহবাস করা অনুচিত, কথাটি ঠিক কি?
উত্তর : না, এধরনের কথা ঠিক নয়। এ সময় যে কোনো উপভোগের জন্য স্বামী-স্ত্রী পূর্ণ স্বাধীন। তারা সন্তুষ্টচিত্তে যা ইচ্ছা করতে পারে। তবে প্রথমরাত হিসেবে একে অপরের চাহিদার প্রতি লক্ষ রাখা উচিত। অবশ্য বাসর রাতে স্ত্রী মাসিক ¯্রাবে আক্রান্ত থাকলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত সহবাস করা যাবে না। [আহকামুল ইসলাম]।
প্রশ্ন : সহবাসের শুরুতে কোন দোয়া পড়তে হয়?
উত্তর : বিসমিল্লাহ বলে সহবাস শুরু করা। তারপর শয়তান থেকে পানাহ চাওয়া। উভয়টিকে একত্রে এভাবে বলা যায়Ñ ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইতানা ওয়া জান্নিবিশ শাইতানা মা রাযাকতানা।’ অর্থ : আমি আল্লাহর নাম নিয়ে এই কাজ শুরু করছি। হে আল্লাহ! শয়তানকে আমাদের থেকে দূরে রাখ এবং যে সন্তান তুমি আমাদের দান করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ। [আহকামে জিন্দেগি]।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

চিরতার ১২ গুণ-ডা. আলমগীর মতি

০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
    21222324252627
    28293031   
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28