শিরোনাম

৬ মাসে আসবাবপত্র রপ্তানি বেড়েছে ৪১ শতাংশ

| ০৫ জানুয়ারি ২০১৯ | ৭:৪৮ অপরাহ্ণ

৬ মাসে আসবাবপত্র রপ্তানি বেড়েছে ৪১ শতাংশ

দেশের বাইরে ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র বা গৃহস্থালি পণ্য। গত এক দশক ধরে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে এর রপ্তানি আয়। ফলে বিশ্ববাজারে ইতোমধ্যে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র।
এর ধারাবাহিকতায় চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৩ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলারের আসবাবপত্র রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি।
২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ কোটি ৩৯ লাখ ডলারের আসবাবপত্র রপ্তানি হয়। চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে রফতানি আয়ের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। সেই হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার পুরোটাই অর্জিত হয়েছে।
দেশের আসবাবপত্রশিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের দাবি-গুণগতমান এবং যুগোপযোগী নকশায় আসবাবপত্র তৈরি হওয়ায় বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র প্রিয় হয়ে উঠছে।তাই নতুনত্ব আর আধুনিকতায় গত এক দশকে অনেক দূর এগিয়েছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র শিল্প।
বর্তমানে আরব বিশ্ব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মূলত বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র রফতানি হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, রাশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে রফতানি শুরু হয়েছে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য মতে, বিগত অর্থবছরে আসবাবপত্র রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে রফতানি আয় ছিল ৬ কোটি ৩১ লাখ ডলারের। সুতরাং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২১ লাখ ডলারের বেশি রফতানি আয় এসেছে।
বাংলাদেশ আসবাবপত্র রফতানিকারক সমিতির সভাপতি কে এম আক্তারুজ্জামান বলেন, নিত্য নতুন নকশা, মানসম্মত কাঠ আর কারিগরদের দক্ষতায় তৈরি করা বাংলাদেশের আসবাবপত্রের মান খুব ভালো। ফলে প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের বিপুল চাহিদা মেটাতেও সক্ষম হচ্ছে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সময় বাড়লো হল বাণিজ্য মেলার

২৮ জানুয়ারি ২০১৮

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
       1234
    19202122232425
    262728293031 
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28