শিরোনাম

ভূরুঙ্গামারীতে বিলুপ্তি হচ্ছে শিমুল গাছ

| ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৭:৩৮ অপরাহ্ণ

ভূরুঙ্গামারীতে বিলুপ্তি হচ্ছে শিমুল গাছ

কালের বিবর্তনে সারা দেশের ন্যায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার শোভা বর্ধনকারী শিমুল গাছ। মনোমুগ্ধকর শিমুল ফুল নিয়ে রচিত হয়েছে গান,কবিতা ও গল্প। বর্তমান সময়ের অনেক শিশুই চেনেনা শিমুল ফুল। নিকট অতীতে গ্রামের মানুষ প্রাকৃতিক ভাবে গজিয়ে উঠা শিমুলের তুলা দিয়ে লেপ, তোষক, বালিশ ইত্যাদি তৈরি করত। যা ছিল খুবই আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্যসম্মত। শিমুল গাছ কমে যাওয়ার ফলে স্বাস্থ্যসম্মত তুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। অপর দিকে শিমুল তুলা বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করতে পারতো কৃষক। এছাড়াও শিমুল গাছ গ্রামাঞ্চলে ঔষধি গাছ হিসাবে সুপরিচিত। শিমুলের মূল বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু উপকারী এই গাছটি বিলুপ্তির পথে। শিমুল গাছের চারা রোপনে কৃষকের উদাসীনতার পাশাপাশি সরকারী ও বেসরকারী কোন উদ্যোগ না থাকাকে বিলুপ্তির কারন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগেও ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশে বাড়ির আনাচে কানাচে চোখে পড়ত অসংখ্য শিমুল গাছ। আর এসব গাছে ফুটন্ত শিমুল ফুলের সমারোহই জানান দিত প্রাকৃতিতে বসন্ত এসেছে। প্রস্ফুটিত ফুলে পুরো এলাকা এক অপরূপ রূপে সজ্জিত হয়ে উঠতো। পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের শাহজাহান আলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, দিন দিন শিমুল গাছ কমে যাওয়ায় দেশি তুলা খুজে পাওয়া যায় না। বার বছর পূর্বে প্রতি কেজি শিমুল তুলা বিক্রি হতো ৪০-৫০ টাকায়। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বর্ধনশীল গাছের প্রতি মানুষ ঝুকে পড়ায় শিমুল গাছ সহ বিভিন্ন গাছ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

শীতের প্রস্তুতি এখনই

০৮ নভেম্বর ২০১৬

শোভা ছড়াচ্ছে আমের মুকুল

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
         12
    24252627282930
    31      
      12345
    27282930   
           
          1
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28