শিরোনাম

নড়াইল সদর হাসপাতালের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা কমেছে মাশরাফীর অভিযানের পর

| ১৩ মে ২০১৯ | ৫:০৫ অপরাহ্ণ

নড়াইল সদর হাসপাতালের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা কমেছে মাশরাফীর অভিযানের পর

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ সোমবার (১৩,মে) ২৭৪॥ নড়াইল-২ আসনের এমপি ক্রিকেট তারকা মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা নড়াইল সদর হাসপাতলে অভিযানের পর হাসপাতালের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা কমেছে। চিকিৎসক-নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, সেবা ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা বেড়েছে বলে জানা গেছে। দালালদের দৌরাত্ম্যও কমেছে। এক সপ্তাহ আগে কার্ডিওলজি, সার্জারি এবং ডেন্টাল সার্জন সদর হাসপাতালে যোগদান করেছেন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে সদর হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছিল।

এখানে অধিকাংশ চিকিৎসকই দায়িত্ব পালন করতেন না। হাসপাতালে দালাল চক্র ছিল যথেষ্ট সক্রিয়। ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভরা হরহামেশা হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে ভিজিট করতেন। সরকারের সাপ্লাইকৃত ওষুধের যথাযথ ব্যবহার এবং নার্সদের সেবার মানও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। গত ২৫ এপ্রিল নড়াইল-২ আসনের এমপি ক্রিকেটার মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে দেখেন চার চিকিৎসক অনুপস্থিত। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান।

পরে ওই দিন রাতে হাসপাতাল এবং জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়ে এসব অব্যবস্থাপনা দূর করার কথা বলেন। এর চার দিন পর ২৯ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সদর হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকা চার চিকিৎসক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আকরাম হোসেন, কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ শওকত আলী ও রবিউল আলম এবং মেডিকেল অফিসার এএসএম সায়েমকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

মিম খাতুন কিডনির সমস্যা নিয়ে চার দিন আগে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, শুনেছি আগে নার্সরা ভালো ব্যবহার করত না বা সময় মতো আসত না। তারা এখন ভালো ব্যবহার এবং সেবা দিচ্ছেন। এখান থেকে সামান্য কিছু ওষুধ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান। সবুজ মোল্যা এবং মিজান শেখ শ্বাসকষ্ট এবং জ্বরজনিত সমস্যা নিয়ে তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তারা জানান, নার্সদের যে কোনো সময় ডাকলে পাওয়া যাচ্ছে। তারা ভালো ব্যবহার করছেন।

প্রতিদিন চিকিৎসক এসে দেখে যাচ্ছেন এবং নার্সরা সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিচ্ছেন।
নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ জানান, হাসপাতালের সার্বিক কাজের মান এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো। সদর হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য বলেন, এমপির সদর হাসপাতাল পরিদর্শনের পর হাসপাতালে সার্বিক কাজের গতি এসেছে। একাধিক নার্স বলেন, আমরা আগেও সেবা দিয়েছি। কিন্তু এমপির হাসপাতাল পরিদর্শনের পর কখনও কখনও রাজনৈতিক পরিচয় এবং এমপির কথা বলে আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা এর নিরসন চাই।

জানা গেছে, ১০০ শয্যায় উন্নীত এ হাসপাতালে ৩৯টি চিকিৎসকের পদের মধ্যে রয়েছেন ১৬ জন (বরখাস্ত হওয়া চার চিকিৎসক বাদে) চিকিৎসক। এর মধ্যে দু’জন চিকিৎসক সংযুক্তিতে রয়েছেন। সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুস শাকুর বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে শতভাগ হাজিরা রয়েছে, যা আমি এখানে যোগদানের আগে ৭০ ভাগের নিচে ছিল। সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক-নার্স প্রতিদিন গড়ে ইনডোরে প্রায় ২০০ এবং আউটডোরে ৮০০ রোগীর চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি। ছবি সংযুক্ত

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিয়ে করলেন নাবিলা

২৭ এপ্রিল ২০১৮

ফেইজবুকে আমরা

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
        123
    18192021222324
    25262728293031
           
      12345
    27282930   
           
          1
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28