শিরোনাম

হিলিতে হঠাৎ দাম বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের

| ২১ মার্চ ২০২০ | ১:৩৭ অপরাহ্ণ

হিলিতে হঠাৎ দাম বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের

দিনাজপুরের হিলিতে চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও আমদানি বন্ধের অজুহাতে চাল, পেঁয়াজ, রসুন, জিরা ও আদার দাম বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়াই এসব পণ্যের ঘাটতিকে দাম বাড়ার কারণ দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় হিলির বাজার ঘুরে এই চিত্র পাওয়া যায়।

ক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহের ব্যবধানে আদার দাম প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা হয়েছে। চালের দাম প্রতি কেজি পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেড়েছে, ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ টাকা থেকে ৪৫ টাকা, জিরা প্রতি কেজি ২৬০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা আর রসুনের কেজি ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা হয়েছে।

হিলি বাজারের খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, গেল সপ্তাহে খুচরায় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা, সেই পেঁয়াজ আজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। রসুন বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা, এটি এক লাফে বেড়ে হয়েছে ১০০ টাকা। পাশাপাশি আমদানি করা আদার কেজি এখন ১২০ টাকা, গত সপ্তাহে দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

হিলি বাজারের রকমারি মসলার দোকানদার জানান, চাহিদার তুলনায় জিরা, এলাচের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি জিরার প্যাকেট বিক্রি হয়েছে ২৬০ টাকা দরে আর এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে। সাদা এলাচ গেল সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে তিন হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে আর এখন বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে।

তিনি আরও জানান, করোনার কারণে মসল্লার দাম যেকোনো সময় বাড়তেও পারে। এখন ক্রেতা বেশি থাকায় পণ্যগুলো চাহিদা মত ক্রেতাদের দেওয়া যাচ্ছে না।

আদা-রসুনের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে খুচরা বিক্রেতারা জানান, করোনাভাইরাসের কারণে চীনা রসুন বাজারে নেই বললেই চলে। এখন দেশি ও ভারত থেকে আমদানি করা রসুন বাজারে আছে। চীনা রসুন আমদানি বন্ধ থাকায় এর দাম বেড়ে গেছে। তারা আরও বলেন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ হতে পারে। তাই আমদানিকারকরা দাম বেশি নিচ্ছে আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছি। আদা-রসুনের দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

হিলি বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ইদ্রিস আলী জানান, বাজার যদি সঠিকভাবে মনিটরিং করা না হয় তাহলে ব্যবসায়ীরা করোনার অজুহাতে দাম বাড়িয়ে যাবেই। তাই সরকারকে এসব দিকে কঠোর হতে হবে। বেশি বেশি মোবাইল কোর্ট চালু রাখতে হবে।

এদিকে সব ধরনের চালের চালের দামও বাড়তি। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ থেকে ছয় টাকার মতো বেড়েছে বলে জানান চাল ব্যবসায়ীরা।

হিলি বাজারের চালের পাইকার অনুপ বসাক জানান, স্বর্ণা-৫ গেল সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩২ টাকা কেজি সেই চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা কেজি, মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ২৬ টাকা কেজি, সেই চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি। আগামী রমজানে মুড়ির জন্য মোটা চাল মজুদ করছে অটোরাইস মিলগুলো। চাহিদার চেয়ে বাজারে চাল আমদানি কম। এই কারণে হঠাৎ বেড়েছে চালের দাম।

তিনি আরও জানান, চালের দাম কিছুটা বেশি হওয়ার কারণে অনেক ক্রেতাদের সঙ্গে বাকবিতর্ক হচ্ছে।

চাল কিনতে আসা মোফাজ্জল হোসেন জানান, মাঝে মাঝে চালের দাম বাড়ে আবার কমে এতে করে আমাদের মত গরিবদের খুব সমস্যা হয়। গত সপ্তাহে চালের দাম কম ছিল আজ কিনলাম পাঁচ টাকা কেজি প্রতি বেশি দিয়ে। দাম বেশি হওয়াতে টাকার পরিমাণ কম থাকায় আজ কম করে চাল কিনলাম। চালের বাজার যেন কমে আসে সেজন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদ করেন তিনি।

হিলি কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী দুলু মিয়া জানান, বাজারে করলা, বরবটি ও লাল সবজির সরবরাহ কম, এই কারণে দামও বেশি। তবে অন্যান্য সবজির দাম স্থিতিশীল আছে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিয়ে করলেন নাবিলা

২৭ এপ্রিল ২০১৮

  • পুরনো সংখ্যা

    SatSunMonTueWedThuFri
    28293031   
           
    29      
           
      12345
    27282930   
           
          1
           
          1
    9101112131415
    30      
         12
           
          1
    2345678
    30      
       1234
    262728293031 
           
         12
           
      12345
    2728293031  
           
    891011121314
    2930     
           
        123
           
        123
    25262728   
           
    28293031   
           
          1
    2345678
    9101112131415
    3031     
          1
    30      
      12345
    272829    
           
        123
           
    28