1. ccadminrafi@gmail.com : Writer Admin : Writer Admin
  2. swadesh.tv24@gmail.com : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম : Newsdesk ,স্বদেশ নিউজ২৪.কম
  3. swadeshnews24@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর: : নিউজ ডেস্ক, স্বদেশ নিউজ২৪.কম, সম্পাদনায়-আরজে সাইমুর:
  4. hamim_ovi@gmail.com : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : Rj Rafi, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
  5. skhshadi@gmail.com : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান: : শেখ সাদি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
  6. srahmanbd@gmail.com : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান : এডমিন, সম্পাদনায়- সাইমুর রহমান
অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে - Swadeshnews24.com | স্বদেশ নিউজ২৪.কম | Best Online News Portal in Bangladesh
শিরোনাম
ছেলেদের উত্যক্ত করেন সাবিলা নূর! (ভিডিও) প্রাথমিকে থাকছে না অ্যাসাইনমেন্ট, একই রোল নিয়ে পরের ক্লাসে ভৈরবে দেবরের বিরুদ্ধে ভাবীর ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা শিশুকে বোতলে দুধ খাওয়ান? যে বিপদ হতে পারে সৌদি মালিকানায় না আসতে পেরে মামলা করবে নিউক্যাসেল মাত্র ১০ বছরেই শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়েছিল নেহাকে লেবাননে কারাগারের দরজা ভেঙে পালিয়েছে অন্তত ৬০ বন্দি। নিজের পোশাক সেলাই করছেন প্রধানমন্ত্রী বসলো ৩৮তম স্প্যান, পদ্মা সেতুর ৫৭০০ মিটার দৃশ্যমান ট্রাম্পকে নির্বাচিত হওয়া বন্ধ করেছে ফাইজার, মডার্না! গোল্ডেন মনির গ্রেপ্তার! অবৈধ অস্ত্র, ৬শ’ ভরি স্বর্ণ, কোটি টাকা জব্দ; ২০০ প্লটের সন্ধান আবারও চলচ্চিত্রাঙ্গনে অস্থিরতা! সুস্মিতা সেনের যে বিষয়টি আজও অজানা ভক্তদের ভৈরবে কমিশনারের দুই ছেলে ও কথিত সাংবাদিক মাদকদ্রব্য’সহ র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার জনগণের উত্তাল তরঙ্গে সরকার টিকতে পারবে না : ফখরুল

অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে

  • Update Time : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫
  • ৪৩০ Time View

bangladesh রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যাপক হারে কমেছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এতে আয় কমেছে সব শ্রেণীর মানুষের। কৃষকের সবজি ক্ষেতেই পচছে। ক্ষুদ্র দোকানপাটে ব্যবসা লাটে উঠেছে। লেনদেন কমেছে শেয়ারবাজারে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা পুঁজি ভাঙিয়ে দিন পার করছেন। এদিকে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে চামড়া শিল্পেও।

এদিকে মুনাফা করা নয়, পুঁজি ধরে রাখা নিয়ে এখন গভীর শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শেয়ারবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। কিছুদিন আগ পর্যন্ত দরপতনের সময় যেসব কৌশলী বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনে রাখতেন, তারা এখন না কেনার কৌশল নিচ্ছেন। এদিকে কিছুদিন আগ পর্যন্ত দরপতনের সময় যেসব কৌশলী বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনে রাখতেন, তারা এখন না কেনার কৌশল নিচ্ছেন।
সংকটে শেয়ারবাজার

গত তিন সপ্তাহের শেয়ারবাজারের লেনদেন পর্যালোচনা করে দৈনিক সমকালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সর্বশেষ ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে ১১ দিনই দরপতন হয়েছে। এতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারের প্রায় প্রতিটি শেয়ারের দর কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক পড়েছে ৩৫১ পয়েন্ট। সূচক পতনের হার ৭ শতাংশ। সার্বিকভাবে সব শেয়ারের দরপতন গড়ে ১২ শতাংশ ছাড়িয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান না হলে পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

ডিএসইর এমডি স্বপন কুমার বালা পত্রিকাটিকে জানান, এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে কোনো বিনিয়োগকারীই নতুন করে বিনিয়োগ করতে চান না। ফলে চাহিদার হার কমতেই থাকে। পাশাপাশি বাড়তে থাকে শেয়ার বিক্রির চাপ। এতে দরপতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ডিএসইর দৈনিক ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রতিদিন গড়ে ৩৮০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু গত সাত দিনে গড়ে ২৩৩ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এ অবস্থায় প্রাত্যহিক ব্যয় নির্বাহ করতে প্রতিষ্ঠানটি পূর্বের সঞ্চিত অর্থ খরচ করছে।

গতকাল ঢাকার মতিঝিলের প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, লংকা-বাংলা সিকিউরিটিজ, আইসিবি সিকিউরিটিজ, মাল্টি সিকিউরিটিজসহ বেশ কয়েকটি শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউস ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটিতেই স্বল্প সংখ্যক বিনিয়োগকারী রয়েছেন। তাদের একজন রফিকুল ইসলাম জানান, ব্রোকারেজ হাউসে এসে শেয়ার কেনাবেচা করেন এমন বিনিয়োগকারীদের ২০ ভাগের এক ভাগও এখন হাউসে আসেন না। যারা আসেন, তারা পরিস্থিতিই পর্যবেক্ষণ করেন বেশি। কেনাবেচা তেমন একটা করেন না।

শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, গত বছরে করা ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগকারী শ্রেণী অর্থাৎ ব্যাংকিং কোম্পানির বিনিয়োগের পথ অনেক সংকুচিত হয়েছে। একদিকে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া ধসের ধকল কাটিয়ে ওঠা, অন্যদিকে এরই ফলে শেয়ারবাজারে অর্থপ্রবাহ বন্ধের এ সংকট কী করে কাটিয়ে ওঠা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই দিশেহারা। এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা ও অনিশ্চয়তা সব হিসাব ওলট-পালট করে দিয়েছে। এখন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকার চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে।
গার্মেন্টে ক্ষতি

টানা অবরোধ-হরতালের কারণে ক্ষতির পাঁচটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। যেমন- আদেশ অনুযায়ী পোশাক রফতানি করতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্রয় আদেশ বাতিল করছেন বিদেশি ক্রেতারা। ক্রেতার অনাগ্রহের কারণে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে পোশাক বিক্রি করতে হচ্ছে। পরিবহনযোগে বন্দরে নিয়ে জাহাজে রফতানি জটিল হয়ে পড়ায় জরুরি ভিত্তিতে মাত্রাতিরিক্ত ভাড়ায় বিমানে রফতানি করতে হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে পণ্য পরিবহন করে বন্দরে নিয়ে জাহাজীকরণে বিলম্ব হচ্ছে। এ ছাড়া গাড়ি ভাংচুর ও অগি্নসংযোগের কারণে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

সমকালের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধের আট দিন পর ১৪ জানুয়ারি থেকে ক্ষতির হিসাব নির্ণয়ের কাজ শুরু করে বিজিএমইএ। ক্ষতির হিসাব জানানোর জন্য এরই মধ্যে সব গার্মেন্ট মালিকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এরই মধ্যে গত শনিবার পর্যন্ত ১৫টি গার্মেন্ট থেকে ১৩২ কোটি ৩৪ লাখ ৬৮ হাজার ৫১৪ টাকার ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। শতভাগ রফতানিমুখী এ খাতের ক্ষতির হিসাব সরকারের কাছে পেশ করা হবে।

হরতাল-অবরোধে আতঙ্ক ও ঝুঁকি নিয়ে পোশাক উৎপাদন, পরিবহন ও রফতানি করা হচ্ছে। অস্থির পরিবেশে এ পর্যন্ত এ খাতে রফতানি ৪০ শতাংশ ও উৎপাদন ৩০ শতাংশ কমেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় পোশাক শিল্প খাতের ক্ষতি দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
বছরের প্রথম মাসেই চামড়া শিল্পে ব্যাপক ক্ষতি

বিটিএ চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ দৈনিক সমকালকে বলেন, হরতাল-অবরোধে গত জানুয়ারিতে ৪৫৯ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি করা কেমিক্যাল বন্দরে আটকা থাকায় ২০ কোটি টাকা এবং ট্রাক ভাড়ায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। জরুরি রফতানি আদেশ অনুযায়ী বিমানে পণ্য পাঠাতে ৪৫ কোটি টাকা বাড়তি খরচ দিতে হয়েছে। সময়মতো পণ্য না পাঠানোর কারণে ক্রেতাদের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গে ক্ষতি হয়েছে ৩৪ কোটি টাকা। এ সময়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। উল্টো ঋণের সুদ ৬৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন বাবদ ক্ষতি ৫২ কোটি টাকা। অস্থির পরিস্থিতি ও সহিংসতার কারণে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ট্যানারি শিল্প ও প্রক্রিয়াজাত চামড়া আনা-নেওয়ায় মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। রফতানি চামড়া বন্দরে পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে পণ্য পরিবহন ব্যয় তিনগুণ বেড়েছে।
পুঁজি ভেঙে চলছে মানুষ

ঢাকা চেম্বারের হিসাবের উদ্ধৃতি দিয়ে দৈনিক যুগান্তর তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, একদিনের হরতাল ও অবরোধে শুধু আর্থিক ক্ষতি হয় ২ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা। ওই হিসাবে ২৯ দিনে ক্ষতি ৬৬ হাজার ৩৩ কোটি টাকা। ক্ষুদ্র মাঝারি বড়- সব ধরনের ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের আয় থেকে যাচ্ছে তা। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ পরিস্থিতি আরও দীর্ঘ হলে অর্থনীতিতে চরম বিপর্যয় বয়ে আনবে।

টানা অবরোধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দেশব্যাপী প্রায় ২৫ লাখ দোকান রয়েছে। এসব দোকানে প্রায় পৌনে এক কোটি কর্মচারী রয়েছেন। কিন্তু হরতাল-অবরোধে প্রতিদিন আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ৩শ’ কোটি টাকা। বিক্রি কমার কারণে কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। বাধ্য হয়ে অনেক দোকানি মূলধন ভেঙে খাচ্ছেন।

বিদেশী পোশাকের পাইকারি ব্যবসায়ী আমেদুল কবির জাকির পত্রিকাটিকে বলেন, এক মাসে ১০ হাজার টাকাও লাভ হয়নি। অথচ প্রতিদিন দোকান খোলার পর ৩ থেকে ৪শ’ টাকা খরচ হচ্ছে। এখন মূলধনে হাত পড়েছে।
আয়-ব্যয়ে তাল মিলছে না ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের

পুঁজিবাজারে প্রতিদিন শেয়ারের দাম কমছে। অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী এ বাজার থেকে প্রতিদিনের মুনাফা দিয়ে সংসার চালান। কিন্তু টানা অবরোধে এসব বিনিয়োগকারী মুনাফা দেখছেন না। ফলে একদিকে বাজারে থেকে পুঁজি হারাচ্ছেন, অন্যদিকে পুঁজি ভেঙে এ পরিস্থিতির মোকাবিলা করছেন।
পুঁজি হারিয়ে ঋণগ্রস্ত কৃষক

মৌসুমের সবজি খেয়েছে অবরোধ। পরিবহনের অভাবে কৃষকরা তা বাজারজাত করতে পারছেন না। লালমনিরহাট মোঘল হাটের কৃষক হামিদুল ইসলাম ও আনসার আলী ঢাকার কারওয়ান বাজারে কপি নিয়ে আসেন। তারা বলেন, একটি কপির উৎপাদন খরচ হয়েছে ৪-৫ টাকা। কিন্তু লালমনিরহাটে ২ টাকাও মূল্য পাচ্ছেন না। বহু কষ্টে ট্রাক ভাড়া করে ঢাকায় নিয়ে আসেন। ১৭ হাজার টাকার ট্রাক ভাড়া দিয়েছেন ৩৫ হাজার টাকা। কিন্তু এরপরও এ পর্যন্ত ২৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। আরেক কৃষক নবাব রেজা মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, ৩৫১ শতক জমিতে কপি লাগাতে গিয়ে খরচ হয়েছে ২ লাখ টাকার বেশি। বিক্রি করে পাওয়া গেছে মাত্র এক লাখ ৮ হাজার টাকা।
post by usman gony

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 SwadeshNews24
Site Customized By NewsTech.Com