মাঙ্কিপক্স রোগী এক হাজার ছাড়িয়েছে: সিডিসি

বিশ্বের ২৯ দেশে এ পর্যন্ত মাঙ্কিপক্স ছড়িয়েছে। মাঙ্কিপক্সে শনাক্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে হাজারের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে মানুষকে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)।

মঙ্গলবার সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর সিএনবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝুঁকি কম থাকলেও আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে আপাতত ঘনিষ্ঠতা না বাড়াতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। মাঙ্কিপক্স থেকে বাঁচতে ভ্রমণকারীদের মাক্স ব্যবহারের পরামর্শ দিলেও পরে নির্দেশনাটি সরিয়ে নিয়েছে সিডিসি।

সিডিসির তথ্যমতে, সোমবার পর্যন্ত বিশ্বে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৯ জনের। যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ ৩০২ জনের মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে। স্পেনে শনাক্ত হয়েছে ১৯৮ জন। এ ছাড়া পর্তুগালে ১৫৩ ও কানাডায় ৮০ জন শনাক্ত হয়েছে।

মাঙ্কিপক্সের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে— জ্বর, মাথাব্যথা, পেশির ব্যথা, পিঠে ব্যথা, ক্লান্তি ও কাঁপুনি। তবে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যান আক্রান্ত ব্যক্তি।

প্রসঙ্গত, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাঙ্কিপক্স সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ওই সব অঞ্চলের মানুষের কাছে মাঙ্কিপক্স খুবই সাধারণ একটি ব্যাপার।

গত ৭ মে যুক্তরাজ্যে প্রথম মাঙ্কিপক্স ধরা পড়ে। যার শরীরে মাঙ্কিপক্স ধরা পড়ে, তিনি সম্প্রতি নাইজেরিয়া ভ্রমণ করেছিলেন।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের তথ্য অনুসারে, মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ব্যক্তির অসুস্থতা খুব বেশি মাত্রায় হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠেন। ভাইরাসটি খুব সহজে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে না। ব্যাপক মানুষের মাঝে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম।

মাঙ্কিপক্সের জন্য নির্দিষ্ট কোনো টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। তবে গুটি বসন্তের টিকা এ রোগ থেকে ৮৫ ভাগ সুরক্ষা দেয়। কারণ দুটি ভাইরাসের ধরন প্রায় একই রকমের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *