বগুড়ায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালকসহ দুজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। এ সময় বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দিলে বাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। রোববার রাতে উপজেলার ঠেঙ্গামারা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— বগুড়া সদর উপজেলার দক্ষিণ বাঘোপাড়া গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে অটোরিকশাচালক বাপ্পী হোসেন (৩৫) ও যাত্রী আশোকোলা গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে আরিফ রহমান (২৮)। আহত আশোকোলা গ্রামের টুটুলকে (৪০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বাপ্পী মিয়া যাত্রী নিয়ে বেপরোয়া গতিতে মহাস্থানের দিকে যাচ্ছিলেন। ঠেঙ্গামারা এলাকায় মহাসড়কে পৌঁছলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তখন রংপুর ছেড়ে আসা ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই যাত্রী আরিফ রহমান মারা যান। আহত চালক বাপ্পী ও যাত্রী টুটুলকে উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ১টার দিকে বাপ্পী হোসেন মারা যান। এদিকে অটোরিকশাকে চাপা দেওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসচালক মহাসড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক মিটার থেকে বাসে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলেন। সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুল হালিম জানান, আগুনের সূত্রপাত হওয়ার আগেই যাত্রীরা বাসের জানালার কাঁচ ভেঙে ও দরজা দিয়ে নেমে যাওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, পুড়ে যাওয়া বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এর চালক ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। Post navigation ৪০১ জনকে নিয়োগ দেবে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর প্রথমবারের মতো ভারতীয় ওয়েব সিরিজে চঞ্চল